হাদিসের তালিকা

Menu

সহিহ বুখারী (৭৫৬৩ টি হাদীস)

৬৩ আনসারগণের মর্যাদা হাদিস নাম্বার:-  ৩৭৭৬ - ৩৯৪৮

৬৩/৫২. অধ্যায়ঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মদীনায় আগমনে তাঁর নিকট ইয়াহুদীদের উপস্থিতি।


(আরবী) অর্থ ইয়াহূদী হয়ে গেছে। (আরবী) অর্থ আমরা তাওবা করেছি। (আরবী) অর্থ তাওবাকারী।

৩৯৪১

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : আনসারগণের মর্যাদা

হাদীস নং : ৩৯৪১


حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيْمَ حَدَّثَنَا قُرَّةُ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَوْ آمَنَ بِيْ عَشَرَةٌ مِنْ الْيَهُوْدِ لآمَنَ بِي الْيَهُوْدُ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যদি আমার উপর দশজন ইয়াহূদী ঈমান আনত তবে গোটা ইয়াহূদী সম্প্রদায়ই ঈমান আনত। [১]

(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৩)

[১] উক্ত হাদীসে দু’প্রকার তাৎপর্য বর্ণনা করা হয়ে থাকে (১) উক্ত হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সময়ে বলেন, সে সময় পর্যন্ত যদি দশজন ইয়াহুদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রতি ঈমান আনত তবে সমগ্র ইয়াহুদী জাতী ঈমান আনত। (২) উক্ত হাদীসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিশেষ দশজন ইয়াহুদী নেতার প্রতি ইঙ্গিত করেন যারা সকলে ঈমান আনলে তাদের প্রভাবে তাদের সম্প্রদায়ের সকলেই ঈমান আনত। কিন্তু বাস্তবে তাদের মধ্য হতে খুব অল্প সংখ্যক ঈমান এনেছিল। তন্মধ্যে প্রসিদ্ধ ও উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি হচ্ছেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু সালাম। (ফাতহুল বারী ৭ম খণ্ড ৩৫০ পৃষ্ঠা)

৩৯৪২

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : আনসারগণের মর্যাদা

হাদীস নং : ৩৯৪২


حَدَّثَنِيْ أَحْمَدُ أَوْ مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللهِ الْغُدَانِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ أُسَامَةَ أَخْبَرَنَا أَبُوْ عُمَيْسٍ عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِيْ مُوْسَى قَالَ دَخَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْمَدِيْنَةَ وَإِذَا أُنَاسٌ مِنْ الْيَهُوْدِ يُعَظِّمُوْنَ عَاشُوْرَاءَ وَيَصُومُوْنَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم نَحْنُ أَحَقُّ بِصَوْمِهِ فَأَمَرَ بِصَوْمِهِ

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আসলেন, তখন ইয়াহূদী সম্প্রদায়ের কিছু লোক আশুরার দিনকে খুব সম্মান করত এবং সেদিন তারা সাওম পালন করত। এতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইয়াহূদীদের চেয়ে ঐ দিন সাওম পালন করার আমরা বেশি হকদার। তারপর তিনি সবাইকে সাওম পালন করার নির্দেশ দিলেন।

(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৪)

৩৯৪৩

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : আনসারগণের মর্যাদা

হাদীস নং : ৩৯৪৩


حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوْبَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا أَبُوْ بِشْرٍ عَنْ سَعِيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ لَمَّا قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْمَدِيْنَةَ وَجَدَ الْيَهُوْدَ يَصُومُوْنَ عَاشُوْرَاءَ فَسُئِلُوْا عَنْ ذَلِكَ فَقَالُوْا هَذَا الْيَوْمُ الَّذِيْ أَظْفَرَ اللهُ فِيْهِ مُوْسَى وَبَنِيْ إِسْرَائِيْلَ عَلَى فِرْعَوْنَ وَنَحْنُ نَصُومُهُ تَعْظِيْمًا لَهُ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم نَحْنُ أَوْلَى بِمُوْسَى مِنْكُمْ ثُمَّ أَمَرَ بِصَوْمِهِ

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আসেন তখন দেখতে পেলেন ইয়াহূদীরা ‘আশুরা দিবসে সাওম পালন করে। তাদেরকে সাওম পালনের কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা বলল, এদিনই আল্লাহ্‌ তা’আলা মূসা (আঃ) ও বনী ইসরাঈলকে ফিরাউনের উপর বিজয় দিয়েছিলেন। তাই আমরা ঐ দিনের সম্মানে সাওম পালন করি। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের চেয়ে আমরা মূসা (আঃ)- এর বেশি নিকটবর্তী। এরপর তিনি সাওম পালনের নির্দেশ দিলেন।

(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৫)

৩৯৪৪

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : আনসারগণের মর্যাদা

হাদীস নং : ৩৯৪৪


حَدَّثَنَا عَبْدَانُ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ عَنْ يُونُسَ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِيْ عُبَيْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَسْدِلُ شَعْرَهُ وَكَانَ الْمُشْرِكُوْنَ يَفْرُقُوْنَ رُءُوْسَهُمْ وَكَانَ أَهْلُ الْكِتَابِ يَسْدِلُوْنَ رُءُوْسَهُمْ وَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُحِبُّ مُوَافَقَةَ أَهْلِ الْكِتَابِ فِيْمَا لَمْ يُؤْمَرْ فِيْهِ بِشَيْءٍ ثُمَّ فَرَقَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم رَأْسَهُ

আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুলে সিঁথি না কেটে সোজা পিছনে দিতেন। আর মুশরিকরা তাদের চুলে সিঁথি কাটত। আহলে কিতাব সিঁথি কাটত না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র নিকট হতে কোন নির্দেশ না আসা পর্যন্ত আহলে কিতাবের অনুকরণ পছন্দ করতেন। তারপর (ওয়াহী মোতাবেক) তাঁর মাথায় সিঁথি কাটলেন।

(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৬)

৩৯৪৫

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : আনসারগণের মর্যাদা

হাদীস নং : ৩৯৪৫


حَدَّثَنِيْ زِيَادُ بْنُ أَيُّوْبَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا أَبُوْ بِشْرٍ عَنْ سَعِيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ هُمْ أَهْلُ الْكِتَابِ جَزَّءُوْهُ أَجْزَاءً فَآمَنُوْا بِبَعْضِهِ وَكَفَرُوْا بِبَعْضِهِ يَعْنِيْ قَوْلَ اللهِ تَعَالَى اَلَّذِيْنَ جَعَلُوا الْقُرْاٰنَ عِضِيْنَ (الحجر : 91)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, এরাই তো সেই আহলে কিতাব যারা ভাগাভাগি করে ফেলেছে, কোন কোন বিষয়ের উপর ঈমান এনেছে আর কোন কোন বিষয়কে অস্বীকার করেছে। রাবী আল্লাহর এ বাণী বুঝাতে চেয়েছেন - “যারা কুরআনকে খণ্ড খণ্ড করেছে” (সূরাহ আল-হিজরঃ ৯১)

(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫৭)

Copyright © 2022 myislam | Powered by Masud Rana.